সিবিএন ডেস্ক;

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের রেজু আমতলী এলাকায় একটি কলাবাগানের প্রায় ৫ শতাধিক কলার চারা রাতের আঁধারে কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বাগান মালিক প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১২ জুন দিবাগত রাতে রেজু আমতলী এলাকার ২৬৮ নম্বর রেজু মৌজার ২৯২ নম্বর হোল্ডিংভুক্ত জমিতে সৃষ্ট কলাবাগানে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে প্রায় ৫ শতাধিক কলার চারা কেটে ফেলে। এতে বাগান মালিকের ব্যাপক আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

ক্ষতিগ্রস্ত বাগানের মালিক ও সাংবাদিক শফিক আজাদ জানান, তিনি ২৯২ নম্বর হোল্ডিংয়ের মালিক আব্দুস সালামের ওয়ারিশদের কাছ থেকে জমিটি ক্রয় করে সেখানে কলাবাগান গড়ে তোলেন। দীর্ঘদিন ধরে কিছু বহিরাগত ব্যক্তি তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর জের ধরে এ ধরনের নাশকতামূলক ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে তার দাবি।

এ ঘটনায় উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের দরগাহবিল গ্রামের রশিদ আহমদ ওরফে ডাকাত রশিদের ছেলে বাবুল আলম (৩২), মনজুর আলম (৩০), বাবুল আলমের স্ত্রী নুর কলিম (২৫) এবং রশিদ আহমদকে আসামি করে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া আরও ১০-১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহিম, শাহ আলম, রশিদ উল্লাহ ও রফিক উদ্দিন বলেন, বাগানটি গড়ে তোলার পর থেকেই বাবুল আলমসহ অভিযুক্তরা সাংবাদিক শফিক আজাদকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল। তাদের ধারণা, রাতের আঁধারে তারাই এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক শফিক আজাদ জানান, ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঘুমধুম তদন্ত কেন্দ্রে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘুমধুম তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) মঈন উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।